বাউফল প্রতিনিধি :
২ বছরের শিশু সন্তানসহ নিখোঁজের
৭ দিন পরেও সন্ধান
মেলেনি কেশবপুরের ভরিপাশা
গ্রামের গৃহবধু মুক্তা বেগমের।
একমাত্র মেয়ে ও নাতনীর খোঁজ
না পাওয়ায় মুক্তার
বাবা রফিকুল ইসলাম ও
মা ফরিদা বেগম এখন পাগল প্রায়।
মুক্তার মা ফরিদা বেগম
সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ৪
বছর আগে ভরিপাশা গ্রামের
ছোবাহান হাওলাদারের
ছেলে টিটু হাওলাদারের
সঙ্গে মুক্তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর
টিটু চট্রগ্রামের
একটি গার্মেন্টেস ফ্যাক্টরিতে
চাকুরি নিয়ে স্ত্রী মুক্তাকে নিয়ে
বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। কিছু
দিন
যেতে না যেতে মুক্তাকে জোড়পূর্বক
টিটু তার গ্রামের
বাড়ি থাকতে বাধ্য করে। এ
নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ
লেগেই থাকত। গ্রামের
বাড়ি থাকতে না চাওয়ায় স্বামী
টিটু, শ্বশুর সোবাহান হাওলাদার ও
শাশুরি সালেহা বেগম, মুক্তাকে
শাররীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করতো। মাঝে মধ্যে মুক্তা অভিমান
করে বাবার বাড়ি চলে আসতো। গত
১৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তাকে তার
শাশুড়ি মারধর করে। তখন অভিমান
করে মুক্তা তার
বাবার বাড়ি পাশের নাজিরপুর
ইউপির বাংলাবাজার চলে আসে।
১০ দিন বেড়ানোর পর গত ২৬
ফেব্রুয়ারি মুক্তাকে তার বাবা ও
মা ফের শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার জন্য
চাপ দিলে অভিমান করে মুক্তা তার
২ বছরের শিশু সন্তান নিয়ে নিরুদ্দেশ
হয়।
বুধবার, ৫ মার্চ, ২০১৪
সন্তান সহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান ৭ দিনেও মেলেনি
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন